গ্রুপ পর্ব শেষে ২০২৬ ফিফা বিশ্বকাপ এখন প্রবেশ করেছে সবচেয়ে উত্তেজনাপূর্ণ ধাপে যার নাম নকআউট পর্ব।
সোমবার (২৯ জুন) থেকে শুরু হচ্ছে এই ‘বাঁচা-মরার’ লড়াই, যেখানে একটি হার মানেই বিদায়। শেষ ৩২ দল নিয়ে শুরু হওয়া এই পর্বই এখন বিশ্বকাপ শিরোপার পথে সবচেয়ে বড় পরীক্ষা।
নকআউট পর্বের সবচেয়ে বড় বৈশিষ্ট্য হলো- এখানে দ্বিতীয় সুযোগ নেই। গ্রুপ পর্বে পয়েন্টের হিসেবে টিকে থাকার সুযোগ থাকলেও এই ধাপে প্রতিটি ম্যাচ সরাসরি ফল নির্ধারণ করে। জয়ী দল এগিয়ে যাবে, পরাজিত দল বিদায় নেবে টুর্নামেন্ট থেকে।
নির্ধারিত ৯০ মিনিটে ম্যাচ নিষ্পত্তি না হলে খেলা গড়াবে অতিরিক্ত ৩০ মিনিটে, অর্থাৎ দুই ভাগে ১৫ মিনিট করে এক্সট্রা টাইম। এরপরও যদি ফলাফল নির্ধারণ না হয়, তখন টাইব্রেকারের মাধ্যমে বিজয়ী নির্ধারণ করা হবে। সেখানে দুই দল পাঁচটি করে শট নেবে। পাঁচ শট শেষে সমতা থাকলে শুরু হবে ‘সাডেন ডেথ’ পদ্ধতি, যেখানে একটি গোল-ব্যর্থতাই নির্ধারণ করবে ম্যাচের ভাগ্য।
সবশেষে ১৯ জুলাই নিউইয়র্ক/নিউ জার্সিতে অনুষ্ঠিত হবে মহারণ- বিশ্বকাপ ফাইনাল, যেখানে নির্ধারিত হবে নতুন বিশ্বচ্যাম্পিয়ন।
নকআউট পর্বে জায়গা করে নেওয়া ৩২টি দলের মধ্যে রয়েছে ১২টি গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন, ১২টি রানার্সআপ এবং সেরা আটটি তৃতীয় স্থানধারী দল। শক্তির ভারসাম্য, অপ্রত্যাশিত ফল আর নাটকীয়তার কারণে এই পর্বকেই বিশ্বকাপের আসল যুদ্ধ হিসেবে দেখা হয়।
নকআউটের প্রথম দিনেই উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে মুখোমুখি হবে ব্রাজিল ও জাপান। পরদিন মাঠে নামবে নেদারল্যান্ডস ও মরক্কো। পাশাপাশি আর্জেন্টিনা, ফ্রান্স, জার্মানি, স্পেন ও ইংল্যান্ডের মতো শক্তিশালী দলগুলোর লড়াইও এই পর্বে জমিয়ে তুলবে টুর্নামেন্টকে।
Leave a Reply